August 24, 2026, 7:28 pm

সরকারি চাকরিতে ১১-২০তম গ্রেডে বাড়ছে ১৩৫% বেতন

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেল বুধবার, ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ১১-২০তম গ্রেডের বেতন সর্বোচ্চ ১৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। তবে, প্রজ্ঞাপন জারি ও অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ায়, সরকারি কর্মচারীরা বাড়তি বেতন পেতে আরও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে।

নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ১ থেকে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়নে দুই ধাপের মডেল নিয়ে কাজ করছে, যেখানে প্রথম বছর পুরো মূল বেতন কার্যকর করার এবং দ্বিতীয় বছরে ভাতা সমন্বয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সচিব কমিটি ইতোমধ্যে চার দফা বৈঠক করেছে এবং শিগগিরই তাদের চূড়ান্ত মতামত অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেবে। নতুন পে-স্কেলের বাস্তবায়নে মূল্যস্ফীতি এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি সময়োপযোগী, তবে শুধুমাত্র বেতন বাড়ালে দুর্নীতি কমবে না। তিনি সম্পদবিবরণী প্রকাশ বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্ব দেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নতুন পে-স্কেলের জন্য ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির কারণে নিম্ন গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রা উন্নত করতে বর্ধিত বেতন সহায়ক হবে। তবে, সরকারের উচিত দুর্নীতির সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করা।

এই বিভাগের আরও খবর


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের শুধু একার প্রস্তুতি নয়। আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী সব বাহিনীরও প্রস্তুতির দরকার আছে। নতুন সরকার এসেছে। সবাই প্রস্তুত হলে বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। সবাইকে নিয়েই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) ঝাঁপ দিতে হবে। সে জন্য কার্যক্রম চলছে। gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘এক্সিকিউভ লিডারশিপ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখন বলা যাবে না। দিনক্ষণ অনেক ‘ফ্যাক্টরের’ ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন–সংশ্লিষ্টদের সবার প্রস্তুতি চূড়ান্ত হলে নির্বাচন হবে সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কিছু আইন–বিধি সংশোধন করা হচ্ছে। ইসি প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ও আছে, কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি প্রয়োজন। সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তিনি জানান, বিদ্যমান আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা,পাবলিক পরীক্ষা—এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে। সম্প্রতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইসি পুলিশের প্রস্তুতি, সারা দেশের অবস্থা, কত সংখ্যক পুলিশ দিতে পারবে—এসব বিষয় জানতে চেয়েছে। তাদের কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সিইসি বলেন, তারা জাতীয় নির্বাচন যেভাবে করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালো হবে, খারাপ হবে না। তিনি আশা করেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে তাঁরা সেটা করতে পারবেন।

ফেসবুকে আমরা